32.5 C
Mādārīpur
Sunday, April 11, 2021

আজ শিবচর মুক্ত দিবস

- Advertisement -
- Advertisement -
shibchar sadhinota chottor
আজ ২৫ নভেম্বর, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে এক রক্তক্ষয়ী সম্মুখযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে শিবচরকে মুক্ত করেছিল। এ যুদ্ধে চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ও ১৮ জন হানাদারসহ তাদের দোসররা নিহত হয়। এই যুদ্ধে অংশ নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর উপজেলার ২ কমান্ডারও নিহত হন। কিন্তু স্বাধীনতার ৪২ বছরে একটি স্বাধীনতা স্তম্ভ, কিছু সড়ক নামকরণ,  কবরগুলো টাইলস করা ব্যতীত স্মৃতি সংরক্ষণে তেমন কোনো বিশেষ উদ্যোগ না নেওয়ায় স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধ প্রায় এক অজানা অধ্যায়।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের মে মাসে দু’দফা হানাদার বাহিনী স্থানীয় রাজাকার দোসরদের নিয়ে শিবচরের ৪০ জন নিরীহ নারী-পুরুষকে হত্যাসহ ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করে ও স্থানীয় থানায় ঘাঁটি গাড়ে। ৭১ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তিযোদ্ধারা শিবচর বাজারে অবস্থিত হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয়। এরপর থেকেই হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা শিবচর থানায় অবস্থান নিয়ে খুন, ধর্ষণ, লুট, জ্বালানো-পোড়ানো বাড়িয়ে দেয়। ২৪ নভেম্বর রাত ৩টায় এরিয়া কমান্ডার মো. মোসলেমউদ্দিন খানের নেতৃত্বে  স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারাসহ ভাঙ্গা ও সদরপুর থানার মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের আশ্রয়স্থল ‘শিবচর থানা’ মুক্ত অপারেশন শুরু করে। এ যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন থানা কমান্ডার সামসুদ্দিন খান। ৪টি গ্রুপে ভাগ হয়ে ১ শ ৭৫ জন মুক্তিযোদ্ধা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রায় ১৬ ঘণ্টা স্থায়ী যুদ্ধে ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় হানাদার ও রাজাকার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। সম্মুখ এ যুদ্ধে শিবচরের আ. ছালাম, ভাঙ্গার মোশাররফ হোসেন, সদরপুরের দেলোয়ার হোসেন ও সহযোগী ১১ বছর বয়সের কিশোর ইস্কান্দারসহ চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আরো অনেকে গুরুতর আহত হন। যুদ্ধে ১৮ জন ঘাতক হানাদার ও রাজাকার নিহত হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মো. কামরুজ্জামান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে বর্তমান সরকার স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ ছাড়াও বিভিন্ন সড়ক নামকরণ করেছে। আজ তেমন কোন কর্মসুচি নেওয়া হয়নি।

আজ ২৫ নভেম্বর, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে এক রক্তক্ষয়ী সম্মুখযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে শিবচরকে মুক্ত করেছিল। এ যুদ্ধে চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ও ১৮ জন হানাদারসহ তাদের দোসররা নিহত হয়। এই যুদ্ধে অংশ নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর উপজেলার ২ কমান্ডারও নিহত হন। কিন্তু স্বাধীনতার ৪২ বছরে একটি স্বাধীনতা স্তম্ভ, কিছু সড়ক নামকরণ,  কবরগুলো টাইলস করা ব্যতীত স্মৃতি সংরক্ষণে তেমন কোনো বিশেষ উদ্যোগ না নেওয়ায় স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধ প্রায় এক অজানা অধ্যায়।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের মে মাসে দু’দফা হানাদার বাহিনী স্থানীয় রাজাকার দোসরদের নিয়ে শিবচরের ৪০ জন নিরীহ নারী-পুরুষকে হত্যাসহ ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করে ও স্থানীয় থানায় ঘাঁটি গাড়ে। ৭১ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তিযোদ্ধারা শিবচর বাজারে অবস্থিত হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয়। এরপর থেকেই হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা শিবচর থানায় অবস্থান নিয়ে খুন, ধর্ষণ, লুট, জ্বালানো-পোড়ানো বাড়িয়ে দেয়। ২৪ নভেম্বর রাত ৩টায় এরিয়া কমান্ডার মো. মোসলেমউদ্দিন খানের নেতৃত্বে  স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারাসহ ভাঙ্গা ও সদরপুর থানার মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের আশ্রয়স্থল ‘শিবচর থানা’ মুক্ত অপারেশন শুরু করে। এ যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন থানা কমান্ডার সামসুদ্দিন খান। ৪টি গ্রুপে ভাগ হয়ে ১ শ ৭৫ জন মুক্তিযোদ্ধা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রায় ১৬ ঘণ্টা স্থায়ী যুদ্ধে ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় হানাদার ও রাজাকার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। সম্মুখ এ যুদ্ধে শিবচরের আ. ছালাম, ভাঙ্গার মোশাররফ হোসেন, সদরপুরের দেলোয়ার হোসেন ও সহযোগী ১১ বছর বয়সের কিশোর ইস্কান্দারসহ চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আরো অনেকে গুরুতর আহত হন। যুদ্ধে ১৮ জন ঘাতক হানাদার ও রাজাকার নিহত হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মো. কামরুজ্জামান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে বর্তমান সরকার স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ ছাড়াও বিভিন্ন সড়ক নামকরণ করেছে। আজ তেমন কোন কর্মসুচি নেওয়া হয়নি। – See more at: http://www.kalerkantho.com/online/country-news/2013/11/25/24544#sthash.qrlSf5Xj.dpuf

- Advertisement -

Latest news

মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি নৌপথে আট দিন পর ফেরি চলাচল শুরু

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি নৌপথে আট দিন পর ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনটি ফেরি দিয়ে...
- Advertisement -

গ্রেনেড হামলায় নিহত চাঁদপট্টির লিটনের বাবা মায়ের কি অবস্থা

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় গ্রেনেড হামলায় নিহত যুবলীগ নেতা লিটনের মা-বাবা ভাল নেই। এখন কাজকর্ম করতে পারেন না লিটনের বাবা আইয়ুব...

পাইকপাড়া ও রাজেস্বরদীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অগ্নি সংযোগ, আহত ৩৫, ভিডিও

https://www.youtube.com/embed/zP1esKklEYc দুই কিশোরের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের রাজৈর ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দুই ইউনিয়নবাসীর মধ্যে ৫ ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষ হয়।...

মাদারীপুরের মিজানুর লেবাননের বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত তিন বাংলাদেশির একজন মাদারীপুর জেলার কালকিনির মিজানুর রহমান খান। সন্তানের নিহতের খবর বাড়িতে পৌঁছালে শোকের মাতম...

Related news

মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি নৌপথে আট দিন পর ফেরি চলাচল শুরু

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি নৌপথে আট দিন পর ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনটি ফেরি দিয়ে...

গ্রেনেড হামলায় নিহত চাঁদপট্টির লিটনের বাবা মায়ের কি অবস্থা

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় গ্রেনেড হামলায় নিহত যুবলীগ নেতা লিটনের মা-বাবা ভাল নেই। এখন কাজকর্ম করতে পারেন না লিটনের বাবা আইয়ুব...

পাইকপাড়া ও রাজেস্বরদীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অগ্নি সংযোগ, আহত ৩৫, ভিডিও

https://www.youtube.com/embed/zP1esKklEYc দুই কিশোরের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের রাজৈর ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দুই ইউনিয়নবাসীর মধ্যে ৫ ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষ হয়।...

মাদারীপুরের মিজানুর লেবাননের বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত তিন বাংলাদেশির একজন মাদারীপুর জেলার কালকিনির মিজানুর রহমান খান। সন্তানের নিহতের খবর বাড়িতে পৌঁছালে শোকের মাতম...
- Advertisement -

Leave a Reply